ভাই ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, মঙ্গলবার ভোর রাতে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থেকে কোন ঝামেলা ছাড়ায় লাশ পেয়েছি। তার পিতা ভ্রাম্যামাণ সবজি ব্যবসায়ী। তবে ছেলেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন মা সাথী বেগম।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে শ্রমিকের ভিসা নিয়ে মালয়েশিয়ায় যান চঞ্চল। সেখানে একটি কোম্পানিতে ভেকু মেশিন চালকের সহকারী (হেলপার) হিসেবে কাজ করতেন। দুই বছরের কঠোর পরিশ্রমে ঋণের টাকা শোধ করেন। আশার মুখ দেখছিল পরিবারটি। এর মাঝেই প্রবাসে লাশ হতে হলো চঞ্চলকে।
নিহতের বাবা রফিকুল ইসলাম জফির বলেন, ‘মৃত্যুর আগের দিন রাতেও ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছিল। ওই সময় সবার কাছে দোয়া চাইছে। এরপর আর কথা হয়নি। ২১ দিন পর ছেলের জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৫

আপনার মতামত লিখুন